সাপের কামড় / Snak bite
সাপ নাম শুনলেই আমাদের মনে এক ধরণের আতঙ্ক কাজ করে। তবে সব সাপ বিষধর নয়, আর সব বিষধর সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয় না। মূল সমস্যা হলো আতঙ্ক এবং সঠিক চিকিৎসার অভাব। ১. সাপের বিষ কীভাবে শরীরে আক্রমণ করে? সাপের বিষ মূলত এক ধরণের পরিবর্তিত লালা, যাতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন ও এনজাইম থাকে। কামড়ের পর বিষ শরীরের রক্তপ্রবাহ বা লসিকা তন্ত্রের (Lymphatic system) মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করে। সাপের বিষ প্রধানত দুইভাবে কাজ করে: নিউরোটক্সিন (Neurotoxin): এই বিষ সরাসরি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি মস্তিষ্কের সংকেতকে পেশিতে পৌঁছাতে বাধা দেয়। ফলে চোখের পাতা পড়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট হয়ে রোগী মারা যায়। কোবরা বা গোখরা সাপের বিষ এই প্রকৃতির। হিমোটক্সিন (Hemotoxin): এই বিষ রক্তের লোহিত কণিকাকে ধ্বংস করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া নষ্ট করে দেয়। ফলে শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তপাত শুরু হয় এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো (Organ failure) হয়ে পড়ে। রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপের বিষ এই প্রকৃতির। মায়োটক্সিন (Myotoxin): কিছু সাপের বিষ সরাসরি পেশিকে ধ্বংস করে দেয়, যা কিডনি বিকল হওয়ার অন্...